Apoptosis versus necrosis
অ্যাপোপটোসিস ও নেক্রোসিস
কোষের মৃত্যু দুইভাবে ঘটতে পারে এবং দুটির চরিত্র সম্পূর্ণ আলাদা। অ্যাপোপটোসিস হলো পরিকল্পিত মৃত্যু — কোষ নিজেই একটি নির্দিষ্ট কর্মসূচি চালু করে, শক্তি খরচ করে, নিজেকে গুটিয়ে ছোট করে, DNA-কে নির্দিষ্ট মাপে কেটে ফেলে এবং শেষে ছোট ছোট থলিতে ভাগ হয়ে যায় যেগুলো ম্যাক্রোফেজ চুপচাপ খেয়ে ফেলে; আশপাশে কোনো প্রদাহ হয় না। নেক্রোসিস হলো আঘাত বা বিষক্রিয়ায় অনিয়ন্ত্রিত মৃত্যু — কোষ ফুলে ফেটে যায়, ভিতরের উপাদান বাইরে ছড়িয়ে পড়ে এবং প্রদাহ শুরু হয়। ভ্রূণে আঙুলের ফাঁক তৈরি হওয়া বা ব্যাঙাচির লেজ মিলিয়ে যাওয়া অ্যাপোপটোসিসেরই কাজ।
অ্যাপোপটোসিস = পরিকল্পিত কোষ মৃত্যু (programmed cell death); শক্তি-নির্ভর
নেক্রোসিস = আঘাত বা বিষক্রিয়ায় অনিয়ন্ত্রিত মৃত্যু; শক্তি লাগে না
অ্যাপোপটোসিসে কোষ সংকুচিত হয়, DNA নির্দিষ্ট খণ্ডে কাটে, প্রদাহ হয় না
নেক্রোসিসে কোষ ফুলে ফেটে যায় এবং প্রদাহ সৃষ্টি করে
উদাহরণ: ভ্রূণে আঙুলের ফাঁক গঠন, ব্যাঙাচির লেজ অপসারণ
অ্যাপোপটোসিস ব্যাহত হলে অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজন — ক্যান্সারের একটি পথ
অটোলাইসিস আলাদা — নিজের লাইসোসোমের এনজাইমে কোষের স্বয়ং-পাচন
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
প্রদাহ হয় কি না — এই একটি প্রশ্নেই দুটি আলাদা হয়ে যায়। অ্যাপোপটোসিসে হয় না।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·অ্যাপোপটোসিসকে আঘাতজনিত মৃত্যু ধরা — সেটি নেক্রোসিস
- ·অটোলাইসিসকে অ্যাপোপটোসিসের সমার্থক ধরা
- ·অ্যাপোপটোসিসকে শক্তি-নিরপেক্ষ ধরা — এটি সক্রিয়, ATP-নির্ভর প্রক্রিয়া
কোষ ও কোষীয় গঠন
কোষের সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য ও আদি-প্রকৃত কোষের পার্থক্য
কোষ হলো জীবদেহের গঠনগত ও কার্যগত একক — সকল বিপাকীয় কার্যক্রম কোষেই সম্পন্ন হয়। নিউক্লিয়াসের সংগঠন অনুসারে কোষ দুই প্রকার: আদিকোষ (প্রোক্যারিওটিক) — যেখানে সুগঠিত নিউক্লিয়ার আবরণ ও ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু নেই, বংশগতীয় বস্তু সাইটোপ্লাজমে মুক্ত থাকে (যেমন ব্যাকটেরিয়া); এবং প্রকৃতকোষ (ইউক্যারিওটিক) — যেখানে আবরণবেষ্টিত সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু থাকে (যেমন উদ্ভিদ ও প্রাণিকোষ)। আদিকোষে ৭০S রাইবোসোম, প্রকৃতকোষে ৮০S রাইবোসোম থাকে।
কোষ = জীবদেহের গঠনগত ও কার্যগত একক
আদিকোষ: নিউক্লিয়ার আবরণ ও ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু নেই (ব্যাকটেরিয়া)
প্রকৃতকোষ: সুগঠিত নিউক্লিয়াস ও ঝিল্লিবদ্ধ অঙ্গাণু আছে
রাইবোসোম: আদিকোষে ৭০S, প্রকৃতকোষে ৮০S
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
মূল পার্থক্য: আদিকোষে নিউক্লিয়ার আবরণ নেই। মাইটোকন্ড্রিয়া/প্লাস্টিডেও ৭০S রাইবোসোম থাকে (এন্ডোসিমবায়োসিস তত্ত্ব) — সূক্ষ্ম প্রশ্ন।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·আদিকোষে নিউক্লিয়ার আবরণ আছে ভাবা — নেই
- ·প্রকৃতকোষে ৭০S রাইবোসোম ভাবা — ৮০S (মাইটো/প্লাস্টিডে ৭০S)
- ·ব্যাকটেরিয়াকে প্রকৃতকোষী ভাবা — আদিকোষী
কোষ ও কোষীয় গঠন
ক্রোমোজোম: গঠন ও প্রকারভেদ
ক্রোমোজোম হলো নিউক্লিয়াসের সুতাকার বংশগতীয় বস্তু, যা DNA ও হিস্টোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত এবং জিন বহন করে। বিভাজনের মেটাফেজে একটি ক্রোমোজোমে দুটি ক্রোমাটিড থাকে যা সেন্ট্রোমিয়ারে যুক্ত; সেন্ট্রোমিয়ারের অংশ কাইনেটোকোর স্পিন্ডল তন্তুর সংযোগস্থল। সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান অনুসারে ক্রোমোজোম চার প্রকার: মেটাসেন্ট্রিক (মধ্যে), সাবমেটাসেন্ট্রিক (উপপ্রান্তে), অ্যাক্রোসেন্ট্রিক (প্রান্তের কাছে) ও টেলোসেন্ট্রিক (একদম প্রান্তে)। প্রতিটি প্রজাতির নির্দিষ্ট সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে (মানুষে ৪৬টি)।
গঠন: DNA + হিস্টোন প্রোটিন; জিন বহন করে
সেন্ট্রোমিয়ার দুটি ক্রোমাটিডকে যুক্ত রাখে; কাইনেটোকোরে স্পিন্ডল যুক্ত
সেন্ট্রোমিয়ার-অবস্থান ভেদে: মেটা/সাব-মেটা/অ্যাক্রো/টেলো-সেন্ট্রিক
মানুষে ক্রোমোজোম সংখ্যা ৪৬ (২৩ জোড়া)
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
সেন্ট্রোমিয়ারের অবস্থান দিয়েই ক্রোমোজোমের প্রকার নির্ধারিত হয় — চিত্র দেখে শনাক্তকরণ প্রিয় প্রশ্ন। মেটাসেন্ট্রিক = ঠিক মাঝখানে।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·মেটাসেন্ট্রিক = প্রান্তে সেন্ট্রোমিয়ার ভাবা — মাঝখানে
- ·ক্রোমোজোমকে শুধু DNA ভাবা — DNA + হিস্টোন
- ·মানুষে ২৩টি ক্রোমোজোম ভাবা — ৪৬টি (২৩ জোড়া)
কোষ ও কোষীয় গঠন
সাইটোপ্লাজমীয় অঙ্গাণু: রাইবোসোম, গলগি বডি, লাইসোসোম, ER
সাইটোপ্লাজমে বিভিন্ন অঙ্গাণু নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করে। রাইবোসোম প্রোটিন সংশ্লেষণের স্থান (RNA ও প্রোটিন দিয়ে গঠিত, ঝিল্লিহীন)। এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকুলাম (ER) হলো ঝিল্লির নালিকাজাল — রাইবোসোমযুক্ত রাফ ER প্রোটিন পরিবহনে ও রাইবোসোমহীন স্মুথ ER লিপিড সংশ্লেষণে সাহায্য করে। গলগি বডি ক্ষরণ পদার্থের প্যাকেজিং ও বণ্টন করে এবং লাইসোসোম তৈরি করে। লাইসোসোম হাইড্রোলাইটিক এনজাইমে পূর্ণ, যা কোষীয় পরিপাক ও ক্ষয়প্রাপ্ত অংশ ভাঙে, তাই একে 'আত্মঘাতী থলি' বলা হয়।
রাইবোসোম: প্রোটিন সংশ্লেষণ (ঝিল্লিহীন)
রাফ ER প্রোটিন পরিবহনে, স্মুথ ER লিপিড সংশ্লেষণে
গলগি বডি: ক্ষরণ প্যাকেজিং ও বণ্টন, লাইসোসোম তৈরি
লাইসোসোম: হাইড্রোলাইটিক এনজাইম, 'আত্মঘাতী থলি'
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
লাইসোসোম = 'আত্মঘাতী থলি' (কোষ মরলে নিজেই হজম করে)। গলগি বডিকে বইয়ের OCR-এ ভুল লেখা ছিল, সঠিক নাম গলগি বডি। রাইবোসোম ঝিল্লিহীন।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·রাইবোসোমকে ঝিল্লিবদ্ধ ভাবা — ঝিল্লিহীন
- ·স্মুথ ER প্রোটিন সংশ্লেষে ভাবা — লিপিডে; রাফ ER প্রোটিনে
- ·লাইসোসোমকে সালোকসংশ্লেষী ভাবা — হাইড্রোলাইটিক এনজাইমপূর্ণ
কোষ ও কোষীয় গঠন
কোষপ্রাচীর ও কোষঝিল্লি (ফ্লুইড-মোজাইক মডেল)
কোষঝিল্লি বা প্লাজমা মেমব্রেন হলো প্রতিটি জীবিত কোষের বাইরের নির্বাচনভেদ্য (selectively permeable) আবরণ, যা ফসফোলিপিড বাইলেয়ার ও তাতে ভাসমান প্রোটিন নিয়ে গঠিত — সিঙ্গার ও নিকলসনের ফ্লুইড-মোজাইক মডেল অনুসারে লিপিড স্তরে প্রোটিনগুলো মোজাইকের মতো এলোমেলোভাবে বিন্যস্ত ও তরলের মতো চলনশীল। এটি বস্তুর প্রবেশ-নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করে। উদ্ভিদকোষে ঝিল্লির বাইরে অতিরিক্ত দৃঢ়, সেলুলোজ-নির্মিত জড় কোষপ্রাচীর থাকে যা আকৃতি ও সুরক্ষা দেয় এবং পূর্ণভেদ্য (permeable)। কোষপ্রাচীর জড় ও পূর্ণভেদ্য, কোষঝিল্লি জীবন্ত ও নির্বাচনভেদ্য।
কোষঝিল্লি নির্বাচনভেদ্য; ফসফোলিপিড বাইলেয়ার + প্রোটিন
ফ্লুইড-মোজাইক মডেল: সিঙ্গার ও নিকলসন
কোষপ্রাচীর সেলুলোজের, জড় ও পূর্ণভেদ্য (শুধু উদ্ভিদ/ছত্রাক/ব্যাকটেরিয়া)
কোষঝিল্লি জীবন্ত ও নির্বাচনভেদ্য
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
কোষপ্রাচীর পূর্ণভেদ্য ও জড়, কোষঝিল্লি নির্বাচনভেদ্য ও জীবন্ত — এই বৈপরীত্য প্রায়ই ছকে আসে। মডেলের নাম: ফ্লুইড-মোজাইক।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·কোষপ্রাচীরকে নির্বাচনভেদ্য ভাবা — পূর্ণভেদ্য
- ·কোষঝিল্লিকে জড় ভাবা — জীবন্ত
- ·কোষপ্রাচীর সব কোষে থাকে ভাবা — শুধু উদ্ভিদ/ছত্রাক/ব্যাকটেরিয়া
কোষ ও কোষীয় গঠন
মাইটোকন্ড্রিয়ার গঠন ও কাজ
মাইটোকন্ড্রিয়া দ্বি-ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু, যাকে কোষের 'শক্তিঘর' (powerhouse) বলা হয় কারণ সবাত শ্বসনের ক্রেবস চক্র ও ইলেকট্রন পরিবহন এখানে ঘটে এবং ATP উৎপন্ন হয়। এর বাইরের ঝিল্লি মসৃণ ও ভেতরের ঝিল্লি ভাঁজ হয়ে ক্রিস্টি তৈরি করে, যা বিক্রিয়ার পৃষ্ঠতল বাড়ায়; ভেতরের তরল অংশকে ম্যাট্রিক্স বলে, যেখানে ক্রেবস চক্রের এনজাইম থাকে। মাইটোকন্ড্রিয়ায় নিজস্ব বৃত্তাকার DNA ও ৭০S রাইবোসোম থাকে, তাই এটি আধা-স্বায়ত্তশাসিত অঙ্গাণু।
'কোষের শক্তিঘর' — ATP উৎপাদনের প্রধান স্থান
দ্বি-ঝিল্লি; ভেতরের ঝিল্লির ভাঁজ = ক্রিস্টি (পৃষ্ঠতল বাড়ায়)
ম্যাট্রিক্সে ক্রেবস চক্রের এনজাইম
নিজস্ব DNA ও ৭০S রাইবোসোম → আধা-স্বায়ত্তশাসিত
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
ক্রিস্টি ভেতরের ঝিল্লির ভাঁজ (পৃষ্ঠতল বাড়ায়)। নিজস্ব DNA+৭০S রাইবোসোম থাকায় আধা-স্বায়ত্তশাসিত — এন্ডোসিমবায়োসিস তত্ত্বের ভিত্তি।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·ক্রিস্টি বাইরের ঝিল্লির ভাঁজ ভাবা — ভেতরের ঝিল্লির
- ·মাইটোকন্ড্রিয়ায় DNA নেই ভাবা — নিজস্ব DNA আছে
- ·একে সালোকসংশ্লেষণের স্থান ভাবা — শ্বসন/ATP উৎপাদন
কোষ ও কোষীয় গঠন
নিউক্লিয়াসের গঠন
নিউক্লিয়াস প্রকৃতকোষের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র, যা বংশগতীয় বস্তু ধারণ করে ও কোষের সব কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর প্রধান অংশ: নিউক্লিয়ার মেমব্রেন (দ্বি-স্তরী, ছিদ্রযুক্ত আবরণ যা নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের মধ্যে বস্তু বিনিময় নিয়ন্ত্রণ করে), নিউক্লিওপ্লাজম (ভেতরের তরল), ক্রোমাটিন জালিকা (DNA ও প্রোটিন — বিভাজনে ঘনীভূত হয়ে ক্রোমোজোম হয়) এবং নিউক্লিওলাস (রাইবোসোম-RNA সংশ্লেষণের স্থান)। নিউক্লিওলাসের কোনো আবরণ নেই।
নিউক্লিয়াস = কোষের নিয়ন্ত্রণকেন্দ্র; বংশগতীয় বস্তু ধারণ করে
নিউক্লিয়ার মেমব্রেন দ্বি-স্তরী ও ছিদ্রযুক্ত
ক্রোমাটিন বিভাজনে ঘনীভূত হয়ে ক্রোমোজোম হয়
নিউক্লিওলাস: rRNA সংশ্লেষণ, আবরণহীন
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
নিউক্লিওলাস rRNA/রাইবোসোম তৈরির স্থান এবং আবরণহীন — প্রায়ই জিজ্ঞাসিত। ক্রোমাটিন ও ক্রোমোজোম একই বস্তুর দুই অবস্থা।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·নিউক্লিওলাসকে আবরণযুক্ত ভাবা — আবরণহীন
- ·নিউক্লিওলাসকে DNA সংশ্লেষের স্থান ভাবা — rRNA/রাইবোসোম
- ·ক্রোমাটিন ও ক্রোমোজোমকে ভিন্ন বস্তু ভাবা — একই বস্তুর দুই অবস্থা
কোষ ও কোষীয় গঠন
প্লাস্টিড ও ক্লোরোপ্লাস্ট
প্লাস্টিড কেবল উদ্ভিদকোষে পাওয়া দ্বি-ঝিল্লিবেষ্টিত অঙ্গাণু, রঞ্জক অনুসারে তিন প্রকার: বর্ণহীন লিউকোপ্লাস্ট (খাদ্য সঞ্চয়), রঙিন ক্রোমোপ্লাস্ট (ফুল-ফলের রং) ও সবুজ ক্লোরোপ্লাস্ট (সালোকসংশ্লেষণ)। ক্লোরোপ্লাস্টে চাকতির মতো থাইলাকয়েড স্তূপাকারে সাজানো গ্রানা তৈরি করে যেখানে ক্লোরোফিল থাকে ও আলোক-নির্ভর পর্যায় ঘটে; থাইলাকয়েডের চারপাশের তরল স্ট্রোমায় ক্যালভিন চক্র (অন্ধকার পর্যায়) ঘটে। ক্লোরোপ্লাস্টেও নিজস্ব DNA ও ৭০S রাইবোসোম থাকে।
প্লাস্টিড শুধু উদ্ভিদকোষে; তিন প্রকার: লিউকো/ক্রোমো/ক্লোরোপ্লাস্ট
ক্লোরোপ্লাস্ট: সালোকসংশ্লেষণের স্থান
গ্রানা (থাইলাকয়েড স্তূপ) = আলোক পর্যায়; স্ট্রোমা = অন্ধকার পর্যায়
নিজস্ব DNA ও ৭০S রাইবোসোম আছে
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
লিউকোপ্লাস্ট (সঞ্চয়) ↔ ক্রোমোপ্লাস্ট (রং) ↔ ক্লোরোপ্লাস্ট (সালোকসংশ্লেষণ) — কাজ গুলিয়ে ফেলা যায়। গ্রানা=আলো, স্ট্রোমা=অন্ধকার পর্যায়।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·প্লাস্টিড প্রাণিকোষেও থাকে ভাবা — শুধু উদ্ভিদে
- ·গ্রানা অন্ধকার পর্যায়ের স্থান ভাবা — আলোক পর্যায়
- ·ক্রোমোপ্লাস্ট সালোকসংশ্লেষ করে ভাবা — ক্লোরোপ্লাস্ট করে