← সব চ্যাপ্টার

কোষ বিভাজন

১৯টি প্রশ্ন এসেছে ২৫ বছরে · টি টপিক

কোষ বিভাজন

কোষচক্র ও ইন্টারফেজ

একটি কোষের জন্ম থেকে পরবর্তী বিভাজন সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক ঘটনাক্রমকে কোষচক্র বলে; এর দুটি প্রধান অংশ — দীর্ঘ ইন্টারফেজ (বিভাজনের প্রস্তুতি) ও সংক্ষিপ্ত M-দশা (প্রকৃত বিভাজন)। ইন্টারফেজের তিন উপধাপ: G1 (কোষবৃদ্ধি ও প্রোটিন সংশ্লেষ), S (DNA-এর প্রতিলিপন, ক্রোমোজোম দ্বিগুণ) এবং G2 (বিভাজনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি)। ইন্টারফেজে কোষ বিপাকীয়ভাবে সক্রিয় থাকে, তাই একে বিশ্রামদশা বলা ভুল। DNA প্রতিলিপন কেবল S-দশায় ঘটে। কোষচক্র = ইন্টারফেজ + M-দশা (বিভাজন) ইন্টারফেজ: G1 (বৃদ্ধি) → S (DNA প্রতিলিপন) → G2 (প্রস্তুতি) DNA দ্বিগুণ হয় কেবল S-দশায় ইন্টারফেজ বিশ্রামদশা নয় — বিপাকীয়ভাবে অতি সক্রিয়

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

DNA প্রতিলিপন শুধু S-দশায় — এই তথ্য প্রায় প্রতি বছর আসে। ইন্টারফেজকে 'বিশ্রাম' বললে নম্বর কাটে; বলো 'প্রস্তুতিদশা'।

এখানে ভুল হয় ()

  • DNA প্রতিলিপন G1-দশায় ভাবা — S-দশায়
  • ইন্টারফেজকে বিশ্রামদশা ভাবা — বিপাকীয়ভাবে সক্রিয়
  • M-দশাকে দীর্ঘতম ভাবা — ইন্টারফেজ দীর্ঘ

কোষ বিভাজন

ক্রসিং ওভার

ক্রসিং ওভার হলো মায়োসিস-১ এর প্রোফেজ-১ (প্যাকাইটিন উপদশা) এ দুটি সমসংস্থ ক্রোমোজোমের নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে সমতুল্য অংশের বিনিময়। জোড়বাঁধা সমসংস্থ ক্রোমোজোম (বাইভ্যালেন্ট) এর ক্রোমাটিডগুলো কায়াজমা বিন্দুতে অতিক্রম করে জিন অংশ বিনিময় করে, ফলে নতুন জিন সংমিশ্রণযুক্ত ক্রোমাটিড তৈরি হয়। এটি যৌন জননে জিনগত বৈচিত্র্যের প্রধান উৎস এবং বংশগতিতে রিকম্বিনেশন সৃষ্টি করে, যা বিবর্তনের কাঁচামাল যোগায়। ঘটে প্রোফেজ-১ এর প্যাকাইটিন উপদশায় নন-সিস্টার ক্রোমাটিডের মধ্যে অংশ বিনিময় (কায়াজমা বিন্দুতে) ফল: নতুন জিন সংমিশ্রণ → জিনগত বৈচিত্র্য বিবর্তনের জন্য কাঁচামাল সরবরাহ করে

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

ক্রসিং ওভার নন-সিস্টার ক্রোমাটিডে হয় (সিস্টারে নয়) এবং প্রোফেজ-১ এ হয়। কায়াজমা = অতিক্রম বিন্দু — শব্দটি প্রায়ই জিজ্ঞাসিত।

এখানে ভুল হয় ()

  • ক্রসিং ওভার সিস্টার ক্রোমাটিডে ভাবা — নন-সিস্টারে
  • এটি মাইটোসিসেও হয় ভাবা — শুধু মায়োসিসে
  • এটি মেটাফেজ-১ এ ঘটে ভাবা — প্রোফেজ-১ এ

কোষ বিভাজন

ক্যারিওকাইনেসিস ও সাইটোকাইনেসিস

কোষ বিভাজনের দুটি অংশ: ক্যারিওকাইনেসিস (নিউক্লিয়াসের বিভাজন) ও সাইটোকাইনেসিস (সাইটোপ্লাজমের বিভাজন)। সাইটোকাইনেসিস প্রাণিকোষে ঘটে কোষঝিল্লি ভেতরের দিকে খাঁজ (cleavage furrow) সৃষ্টি করে, আর উদ্ভিদকোষে ঘটে মাঝখানে কোষপ্লেট (cell plate) গঠনের মাধ্যমে — কারণ উদ্ভিদকোষে দৃঢ় কোষপ্রাচীর থাকে। সাধারণত ক্যারিওকাইনেসিসের পর সাইটোকাইনেসিস ঘটে, তবে কিছু ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াস বিভাজন হলেও সাইটোপ্লাজম বিভাজন না হয়ে বহুনিউক্লিয়াসযুক্ত কোষ তৈরি হতে পারে। ক্যারিওকাইনেসিস = নিউক্লিয়াস বিভাজন; সাইটোকাইনেসিস = সাইটোপ্লাজম বিভাজন প্রাণিকোষে ক্লিভেজ ফারো (খাঁজ) সৃষ্টি উদ্ভিদকোষে কোষপ্লেট গঠন (কোষপ্রাচীরের কারণে) দুটি ভিন্ন ঘটনা — একটি ছাড়া অন্যটি ঘটতে পারে

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

উদ্ভিদকোষে কোষপ্লেট, প্রাণিকোষে খাঁজ — কারণ উদ্ভিদের দৃঢ় কোষপ্রাচীর ভেতরে ঢুকতে পারে না। এই 'কেন' অংশটাই নম্বর।

এখানে ভুল হয় ()

  • উদ্ভিদকোষে ক্লিভেজ ফারো ভাবা — কোষপ্লেট
  • প্রাণিকোষে কোষপ্লেট ভাবা — ক্লিভেজ ফারো
  • ক্যারিও ও সাইটোকাইনেসিস একই ভাবা — নিউক্লিয়াস বনাম সাইটোপ্লাজম

কোষ বিভাজন

মায়োসিস: তাৎপর্য ও মায়োসিস-১

মায়োসিস বা হ্রাসমূলক বিভাজন জননকোষে (জননমাতৃকোষে) ঘটে এবং একটি ডিপ্লয়েড (2n) কোষ থেকে চারটি হ্যাপ্লয়েড (n) কোষ তৈরি করে — ফলে গ্যামিটে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়, যা প্রজন্মান্তরে ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থির রাখে ও জিনগত বৈচিত্র্য সৃষ্টি করে। এটি দুই ধাপে (মায়োসিস-১ ও -২) সম্পন্ন হয়। মায়োসিস-১ এ প্রোফেজ-১ দীর্ঘ ও গুরুত্বপূর্ণ (সমসংস্থ ক্রোমোজোমের জোড়বাঁধা ও ক্রসিং ওভার), মেটাফেজ-১ এ জোড়া সজ্জিত হয় এবং অ্যানাফেজ-১ এ সমসংস্থ ক্রোমোজোম বিপরীত মেরুতে যায় — এখানেই ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক হয়। 2n কোষ থেকে ৪টি n কোষ; ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক প্রোফেজ-১: সমসংস্থ জোড়বাঁধা (সিন্যাপসিস) ও ক্রসিং ওভার ক্রোমোজোম সংখ্যা হ্রাস ঘটে অ্যানাফেজ-১ এ (হোমোলগ পৃথকীকরণ) তাৎপর্য: ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থিতি + জিনগত বৈচিত্র্য

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

সংখ্যা হ্রাস ঘটে মায়োসিস-১ এর অ্যানাফেজ-১ এ (হোমোলগ আলাদা হয়), মায়োসিস-২ তে নয়। এই সূক্ষ্মতা প্রায়ই ফাঁদ।

এখানে ভুল হয় ()

  • ক্রোমোজোম সংখ্যা মায়োসিস-২ এ অর্ধেক হয় ভাবা — মায়োসিস-১ এ
  • ক্রসিং ওভার মেটাফেজ-১ এ ভাবা — প্রোফেজ-১ এ
  • মায়োসিসে ২টি অপত্যকোষ ভাবা — ৪টি

কোষ বিভাজন

মায়োসিস-২

মায়োসিস-১ শেষে সৃষ্ট দুটি হ্যাপ্লয়েড কোষ ইন্টারকাইনেসিস (স্বল্প বিরতি, DNA প্রতিলিপন হয় না) পার হয়ে মায়োসিস-২ তে প্রবেশ করে। মায়োসিস-২ মূলত মাইটোসিসের মতো একটি সমীকরণিক বিভাজন — এতে প্রতিটি ক্রোমোজোমের দুই বোন-ক্রোমাটিড পৃথক হয়ে বিপরীত মেরুতে যায়। ফলে দুটি কোষ থেকে মোট চারটি হ্যাপ্লয়েড অপত্যকোষ তৈরি হয়। উল্লেখ্য, মায়োসিস-১ ও -২ এর মধ্যবর্তী ইন্টারকাইনেসিসে DNA প্রতিলিপন ঘটে না, তাই ক্রোমোজোম সংখ্যা আর দ্বিগুণ হয় না। মায়োসিস-২ ≈ মাইটোসিসের মতো সমীকরণিক বিভাজন বোন-ক্রোমাটিড পৃথক হয়ে মেরুতে যায় (অ্যানাফেজ-২) ইন্টারকাইনেসিসে DNA প্রতিলিপন হয় না ফল: ২টি কোষ → ৪টি হ্যাপ্লয়েড কোষ

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

ইন্টারকাইনেসিসে DNA কপি হয় না — এটাই কেন মায়োসিসে সংখ্যা অর্ধেক থাকে। মায়োসিস-২ তে বোন-ক্রোমাটিড আলাদা হয় (মায়োসিস-১ এ হোমোলগ)।

এখানে ভুল হয় ()

  • ইন্টারকাইনেসিসে DNA প্রতিলিপন হয় ভাবা — হয় না
  • মায়োসিস-২ এ হোমোলগ আলাদা হয় ভাবা — বোন-ক্রোমাটিড
  • মায়োসিস-২ কে হ্রাসমূলক ভাবা — সমীকরণিক

কোষ বিভাজন

মাইটোসিস: পর্যায়সমূহ

মাইটোসিস বা সমীকরণিক বিভাজনে এক মাতৃকোষ থেকে দুটি অপত্যকোষ তৈরি হয়, প্রতিটিতে মাতৃকোষের সমান সংখ্যক ক্রোমোজোম থাকে। ক্যারিওকাইনেসিস (নিউক্লিয়াস বিভাজন) চারটি পর্যায়ে ঘটে: প্রোফেজ (ক্রোমোজোম ঘনীভূত ও দৃশ্যমান, নিউক্লিয়ার আবরণ বিলুপ্ত), মেটাফেজ (ক্রোমোজোম বিষুবীয় তলে সজ্জিত, স্পিন্ডলে যুক্ত), অ্যানাফেজ (ক্রোমাটিড বিপরীত মেরুতে গমন) এবং টেলোফেজ (দুই মেরুতে নতুন নিউক্লিয়াস গঠন)। এটি দেহকোষে ঘটে ও বৃদ্ধি এবং ক্ষয়পূরণে সাহায্য করে। পর্যায়: প্রোফেজ → মেটাফেজ → অ্যানাফেজ → টেলোফেজ মেটাফেজে ক্রোমোজোম বিষুবীয় তলে সজ্জিত (সংখ্যা গণনার সেরা ধাপ) অ্যানাফেজে বোন-ক্রোমাটিড বিপরীত মেরুতে যায় অপত্যকোষে ক্রোমোজোম সংখ্যা মাতৃকোষের সমান (2n→2n)

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

ক্রোমোজোম গণনার সেরা ধাপ মেটাফেজ (স্পষ্ট সজ্জিত)। পর্যায়ক্রম মনে রাখতে: প্রো-মেটা-অ্যানা-টেলো (PMAT)।

এখানে ভুল হয় ()

  • ক্রোমোজোম গণনার সেরা ধাপ অ্যানাফেজ ভাবা — মেটাফেজ
  • মাইটোসিসে ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক ভাবা — সমান (2n→2n)
  • অ্যানাফেজে হোমোলগ আলাদা হয় ভাবা — বোন-ক্রোমাটিড

কোষ বিভাজন

মাইটোসিসের গুরুত্ব ও অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস

মাইটোসিস জীবের বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, ক্ষত নিরাময় ও অযৌন জননে অপরিহার্য, কারণ এটি প্রতিটি অপত্যকোষে অবিকল সমান বংশগতীয় বস্তু নিশ্চিত করে জিনগত স্থায়িত্ব বজায় রাখে। স্বাভাবিক অবস্থায় মাইটোসিস কোষচক্রের নিয়ন্ত্রক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়; এই নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হয়ে কোষ অনিয়ন্ত্রিতভাবে বিভাজিত হতে থাকলে অস্বাভাবিক কোষপুঞ্জ বা টিউমার সৃষ্টি হয়, যা ক্যান্সারের দিকে যেতে পারে। তাই মাইটোসিসের সুনিয়ন্ত্রণ স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। গুরুত্ব: বৃদ্ধি, ক্ষয়পূরণ, ক্ষত নিরাময়, অযৌন জনন প্রতিটি অপত্যকোষে অবিকল সমান জিনগত বস্তু → জিনগত স্থায়িত্ব নিয়ন্ত্রণ ব্যাহত হলে অনিয়ন্ত্রিত বিভাজন → টিউমার/ক্যান্সার জিনগত পরিবর্তন ঘটায় না (মায়োসিস থেকে আলাদা)

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

মাইটোসিস জিনগত বৈচিত্র্য আনে না — এটি অবিকল কপি করে। বৈচিত্র্য আনে মায়োসিস। ক্যান্সার = অনিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস।

এখানে ভুল হয় ()

  • মাইটোসিস জিনগত বৈচিত্র্য আনে ভাবা — অবিকল কপি করে
  • ক্যান্সারকে নিয়ন্ত্রিত মাইটোসিস ভাবা — অনিয়ন্ত্রিত
  • মাইটোসিস জননকোষে ঘটে ভাবা — দেহকোষে

কোষ বিভাজন

মাইটোসিস ও মায়োসিসের পার্থক্য

মাইটোসিস দেহকোষে ঘটে, একবার বিভাজনে দুটি অপত্যকোষ দেয়, ক্রোমোজোম সংখ্যা অপরিবর্তিত (2n→2n) থাকে, ক্রসিং ওভার হয় না এবং অপত্যকোষ মাতৃকোষের অবিকল প্রতিরূপ — এটি বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণে কাজ করে। মায়োসিস জননকোষে ঘটে, দুই ধাপে চারটি অপত্যকোষ দেয়, ক্রোমোজোম সংখ্যা অর্ধেক (2n→n) হয়, ক্রসিং ওভারে জিনগত বৈচিত্র্য আসে — এটি গ্যামিট গঠন ও প্রজাতির ক্রোমোজোম সংখ্যা স্থিতিতে কাজ করে। স্থান: মাইটোসিস দেহকোষে, মায়োসিস জননকোষে ফল: মাইটোসিস ২টি (2n), মায়োসিস ৪টি (n) অপত্যকোষ ক্রসিং ওভার: মাইটোসিসে নেই, মায়োসিসে আছে ভূমিকা: মাইটোসিস বৃদ্ধি/ক্ষয়পূরণ, মায়োসিস গ্যামিট/বৈচিত্র্য

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

মাইটোসিস 2n→2n (অপরিবর্তিত), মায়োসিস 2n→n (অর্ধেক) — সংখ্যার এই পরিবর্তনই মূল বিভাজক। ক্রসিং ওভার শুধু মায়োসিসে।

এখানে ভুল হয় ()

  • মাইটোসিসে ক্রোমোজোম অর্ধেক ভাবা — সমান
  • মায়োসিসে ক্রসিং ওভার হয় না ভাবা — হয়
  • মাইটোসিসে ৪টি অপত্যকোষ ভাবা — ২টি

কোষ বিভাজন

কোষ বিভাজনের প্রকারভেদ ও অ্যামাইটোসিস

কোষ বিভাজন হলো একটি মাতৃকোষ থেকে অপত্যকোষ সৃষ্টির প্রক্রিয়া। প্রকারভেদে তিনটি: অ্যামাইটোসিস (প্রত্যক্ষ), মাইটোসিস (সমীকরণিক) ও মায়োসিস (হ্রাসমূলক)। অ্যামাইটোসিসে নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজম সরাসরি খণ্ডিত হয়ে দুটি অপত্যকোষ তৈরি হয় — এতে ক্রোমোজোমের সুসংগঠিত বিভাজন বা স্পিন্ডল গঠন হয় না। এটি প্রধানত আদিকোষী জীব (ব্যাকটেরিয়া), ঈস্ট ও কিছু ক্ষতিগ্রস্ত/বিশেষায়িত কোষে দেখা যায়। এটি দ্রুততম কিন্তু নিম্নমানের বিভাজন কারণ অপত্যকোষে সমান বংশগতীয় বণ্টন নিশ্চিত হয় না। তিন প্রকার: অ্যামাইটোসিস, মাইটোসিস, মায়োসিস অ্যামাইটোসিসে স্পিন্ডল/ক্রোমোজোম সজ্জা নেই — সরাসরি বিভাজন দেখা যায়: ব্যাকটেরিয়া, ঈস্ট, কিছু বিশেষ কোষে সমান বংশগতীয় বণ্টন নিশ্চিত হয় না

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

অ্যামাইটোসিসকে 'প্রত্যক্ষ' বলা হয় কারণ ক্রোমোজোম-ধাপ ছাড়াই সরাসরি বিভাজন। মাইটোসিস/মায়োসিস 'পরোক্ষ'।

এখানে ভুল হয় ()

  • অ্যামাইটোসিসে স্পিন্ডল গঠন হয় ভাবা — হয় না
  • অ্যামাইটোসিসকে পরোক্ষ বিভাজন ভাবা — প্রত্যক্ষ
  • এটি সমান বংশগতীয় বণ্টন দেয় ভাবা — নিশ্চিত নয়