← সব চ্যাপ্টার

বাস্তুবিদ্যা ও পরিবেশ

২৩টি প্রশ্ন এসেছে ২৫ বছরে · টি টপিক

জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ

জীবের অভিযোজন: জলজ, মরুজ ও লবণাক্ত উদ্ভিদ

পরিবেশের সাথে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকার জন্য জীবের গঠনগত ও কার্যগত পরিবর্তনকে অভিযোজন বলে। জলজ উদ্ভিদে (হাইড্রোফাইট) বায়ুকুঠুরি (অ্যারেনকাইমা), হ্রাসপ্রাপ্ত মূল ও পাতলা কিউটিকল থাকে যাতে ভাসা ও গ্যাস বিনিময় সহজ হয়। মরুজ উদ্ভিদে (জেরোফাইট) পুরু কিউটিকল, নিমজ্জিত পত্ররন্ধ্র, রূপান্তরিত কাঁটা-পাতা ও জলসঞ্চয়ী কাণ্ড থাকে যাতে প্রস্বেদন কমে ও পানি সংরক্ষিত হয় (যেমন করবী, ক্যাকটাস)। লবণাক্ত পরিবেশের উদ্ভিদে (হ্যালোফাইট) শ্বাসমূল বা নিউম্যাটোফোর থাকে যা লবণাক্ত কাদায় শ্বসন সহজ করে (যেমন সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ)। হাইড্রোফাইট: অ্যারেনকাইমা (বায়ুকুঠুরি), পাতলা কিউটিকল জেরোফাইট: পুরু কিউটিকল, নিমজ্জিত পত্ররন্ধ্র, কাঁটা (করবী/ক্যাকটাস) হ্যালোফাইট: শ্বাসমূল/নিউম্যাটোফোর (ম্যানগ্রোভ) অভিযোজন = পরিবেশ-উপযোগী গঠন ও কার্যগত পরিবর্তন

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

শ্বাসমূল (নিউম্যাটোফোর) লবণাক্ত/জলাবদ্ধ পরিবেশের অভিযোজন (ম্যানগ্রোভ), মরুভূমির নয় — প্রায়ই গুলিয়ে ফেলা হয়।

এখানে ভুল হয় ()

  • শ্বাসমূলকে মরুজ অভিযোজন ভাবা ভুল — লবণাক্ত/জলাবদ্ধ (হ্যালোফাইট)
  • জেরোফাইটে অ্যারেনকাইমা থাকে ভাবা ভুল — ওটা হাইড্রোফাইটে
  • জেরোফাইটে পাতলা কিউটিকল ভাবা ভুল — পুরু কিউটিকল

জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ

জীববৈচিত্র্য ও সংরক্ষণ (ইন-সিটু ও এক্স-সিটু)

কোনো অঞ্চলের সব প্রজাতি, তাদের জিনগত ভিন্নতা ও বাস্তুতন্ত্রের সমষ্টিকে জীববৈচিত্র্য বলে। আবাসস্থল ধ্বংস, দূষণ, অতিরিক্ত শিকার ও জলবায়ু পরিবর্তনে বহু প্রজাতি বিপন্ন/বিলুপ্ত হচ্ছে, তাই সংরক্ষণ জরুরি। সংরক্ষণ দুই ধরনের: ইন-সিটু (স্ব-স্থানে) — প্রজাতিকে তার নিজ প্রাকৃতিক আবাসে রক্ষা করা, যেমন জাতীয় উদ্যান, অভয়ারণ্য, সংরক্ষিত বন; এবং এক্স-সিটু (স্থানচ্যুত) — প্রাকৃতিক আবাসের বাইরে রক্ষা করা, যেমন উদ্ভিদ উদ্যান, চিড়িয়াখানা, জিন/বীজ ব্যাংক। ইন-সিটু সম্পূর্ণ বাস্তুতন্ত্র রক্ষা করে, তাই সাধারণত অধিক কার্যকর। জীববৈচিত্র্য = প্রজাতি + জিনগত + বাস্তুতন্ত্রীয় বৈচিত্র্য ইন-সিটু: নিজ আবাসে (জাতীয় উদ্যান, অভয়ারণ্য) এক্স-সিটু: আবাসের বাইরে (চিড়িয়াখানা, বীজ/জিন ব্যাংক) বিলুপ্তির কারণ: আবাস ধ্বংস, দূষণ, অতিশিকার, জলবায়ু পরিবর্তন

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

ইন-সিটু = নিজ আবাসে (জাতীয় উদ্যান), এক্স-সিটু = আবাসের বাইরে (চিড়িয়াখানা/বীজ ব্যাংক) — উদাহরণ গুলিয়ে ফেলা সবচেয়ে সাধারণ ভুল।

এখানে ভুল হয় ()

  • চিড়িয়াখানাকে ইন-সিটু ভাবা ভুল — এটি এক্স-সিটু
  • জাতীয় উদ্যানকে এক্স-সিটু ভাবা ভুল — এটি ইন-সিটু
  • বীজ ব্যাংককে ইন-সিটু ভাবা ভুল — এক্স-সিটু

জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ

খাদ্যশৃঙ্খল ও ইকোলজিক্যাল পিরামিড

বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক থেকে বিভিন্ন খাদকস্তরে খাদ্য ও শক্তির প্রবাহকে খাদ্যশৃঙ্খল বলে; পরস্পর সংযুক্ত বহু শৃঙ্খল মিলে খাদ্যজাল গঠন করে। বিভিন্ন পুষ্টিস্তরের (ট্রফিক লেভেল) জীবসংখ্যা, জৈববস্তু বা শক্তির পরিমাণকে স্তরে স্তরে সাজালে যে চিত্র পাওয়া যায় তাকে ইকোলজিক্যাল পিরামিড বলে — এটি সংখ্যার, জৈববস্তুর ও শক্তির পিরামিড হতে পারে। শক্তির পিরামিড সর্বদা খাড়া (উৎপাদক থেকে ওপরের স্তরে শক্তি কমে) কারণ প্রতি স্তরে শক্তির বড় অংশ তাপে হারায় (প্রায় ১০% নিয়ম), কিন্তু সংখ্যা বা জৈববস্তুর পিরামিড কখনো উল্টানো হতে পারে। খাদ্যশৃঙ্খল একমুখী; খাদ্যজাল = বহু শৃঙ্খলের সংযোগ পিরামিড তিন প্রকার: সংখ্যা, জৈববস্তু, শক্তি শক্তির পিরামিড সর্বদা খাড়া (১০% নিয়ম) সংখ্যা/জৈববস্তুর পিরামিড উল্টানো হতে পারে

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

শক্তির পিরামিড কখনো উল্টানো হয় না (সর্বদা খাড়া), কিন্তু সংখ্যার পিরামিড উল্টানো হতে পারে (যেমন একটি গাছে বহু পোকা) — প্রিয় ফাঁদ।

এখানে ভুল হয় ()

  • সব পিরামিড খাড়া ভাবা ভুল — সংখ্যা/জৈববস্তু উল্টানো হতে পারে
  • শক্তির পিরামিড উল্টানো হতে পারে ভাবা ভুল — সর্বদা খাড়া
  • খাদ্যশৃঙ্খলকে দ্বিমুখী ভাবা ভুল — একমুখী

জীবের পরিবেশ, বিস্তার ও সংরক্ষণ

পরিবেশগত সংগঠন: প্রজাতি থেকে বাস্তুতন্ত্র

বাস্তুবিদ্যায় জীব ও পরিবেশ ক্রমবর্ধমান স্তরে সংগঠিত। প্রজাতি হলো আন্তঃপ্রজননক্ষম সদৃশ জীবের দল; একই এলাকায় একই প্রজাতির সব জীব মিলে জীবগোষ্ঠী বা পপুলেশন; একটি এলাকায় বসবাসকারী সব জীবগোষ্ঠী মিলে জীব সম্প্রদায় বা বায়োটিক কমিউনিটি; আর জীব সম্প্রদায় ও তাদের জড় পরিবেশ (আলো, পানি, মাটি) মিলে পারস্পরিক ক্রিয়াশীল একক গঠন করে বাস্তুতন্ত্র বা ইকোসিস্টেম। বাস্তুতন্ত্রে উৎপাদক (সবুজ উদ্ভিদ), খাদক (প্রাণী) ও বিয়োজক (ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক) এর মধ্যে শক্তিপ্রবাহ ও পুষ্টিচক্র চলে। ক্রম: প্রজাতি → পপুলেশন → সম্প্রদায় → বাস্তুতন্ত্র বাস্তুতন্ত্র = জীব সম্প্রদায় + জড় পরিবেশ উপাদান: উৎপাদক, খাদক, বিয়োজক শক্তিপ্রবাহ একমুখী; পুষ্টি চক্রাকারে আবর্তিত হয়

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

পপুলেশন = এক প্রজাতি, সম্প্রদায় = বহু প্রজাতি — এই দুটি গুলিয়ে ফেলা সাধারণ। শক্তি একমুখী, পুষ্টি চক্রাকার।

এখানে ভুল হয় ()

  • পপুলেশন ও কমিউনিটিকে একই ভাবা ভুল — পপুলেশন একপ্রজাতি, কমিউনিটি বহুপ্রজাতি
  • বাস্তুতন্ত্রে শক্তি চক্রাকারে ঘোরে ভাবা ভুল — একমুখী
  • বিয়োজককে উৎপাদক ভাবা ভুল — এরা ব্যাকটেরিয়া/ছত্রাক

Soil pH, fertility and plant mineral nutrition

মাটির pH, উর্বরতা ও উদ্ভিদের খনিজ পুষ্টি

মাটির pH সরাসরি উদ্ভিদকে খাওয়ায় না, কিন্তু ঠিক করে দেয় কোন পুষ্টি উপাদান দ্রবীভূত অবস্থায় শিকড়ের নাগালে থাকবে। বেশিরভাগ ফসলের জন্য উপযুক্ত পরিসর নিরপেক্ষের আশপাশে; খুব অম্লীয় বা খুব ক্ষারীয় হলে কিছু আয়ন অদ্রবণীয় হয়ে আটকে যায় এবং কিছু বিষাক্ত মাত্রায় দ্রবীভূত হয়ে পড়ে। চরম pH-এ মাটির অণুজীবও টেকে না, তাই জৈব পদার্থের পচন থেমে যায় ও উর্বরতা নষ্ট হয়। উদ্ভিদের প্রয়োজনীয় মৌলগুলোকে ভাগ করা হয় প্রয়োজনের পরিমাণ অনুযায়ী — যেগুলো বেশি লাগে সেগুলো ম্যাক্রো, যেগুলো সামান্য লাগে সেগুলো মাইক্রো। কম লাগে মানে কম জরুরি নয়; একটি মাইক্রো মৌলের ঘাটতিতেও ফসল নষ্ট হয়। চাষাবাদের উপযুক্ত মাটির pH মোটামুটি ৭–৮; বেশিরভাগ ফসল সামান্য অম্লীয় থেকে নিরপেক্ষ পছন্দ করে pH প্রায় ৯.৫-এর উপরে উঠলে মাটির উর্বরতা নষ্ট হয় pH ৩-এর নিচে বা ১০-এর উপরে মাটি কার্যত অণুজীবমুক্ত হয়ে যায় ম্যাক্রো মৌল: N, P, K, Ca, Mg, S — বেশি পরিমাণে প্রয়োজন মাইক্রো মৌল: Fe, Mn, Zn, Cu, B, Mo, Cl — সামান্য পরিমাণে, কিন্তু অপরিহার্য ক্যালসিয়ামের অভাবে গাছের পাতা ও ফল ঝরে পড়ে K⁺ আয়ন উদ্ভিদ সবচেয়ে দ্রুত শোষণ করে ডালজাতীয় উদ্ভিদ (যেমন ছোলা) মূলের অণুজীবের মাধ্যমে মাটিতে নাইট্রোজেন বাড়ায় খনিজ লবণ শোষণের ব্যাখ্যায় আয়ন বাহক তত্ত্ব (carrier concept) ব্যবহৃত হয়

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

মাইক্রো মৌল মানে কম পরিমাণে দরকার, কম গুরুত্বপূর্ণ নয় — 'অত্যাবশ্যকীয় নয় কোনটি' প্রশ্নে এই ভুলটাই ধরা হয়।

এখানে ভুল হয় ()

  • মাইক্রো মৌলকে অপ্রয়োজনীয় ধরা — পরিমাণ কম, অপরিহার্যতা সমান
  • চাষাবাদের আদর্শ pH অত্যন্ত অম্লীয় ধরা
  • নাইট্রোজেন-সংবন্ধনকারী উদ্ভিদ হিসেবে ঘাস বা ধান বেছে নেওয়া — এটি ডালজাতীয় উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য

Ecological succession and population characteristics

ক্রমাগমন ও জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য

কোনো এলাকায় জীবসম্প্রদায় ধাপে ধাপে বদলে গিয়ে শেষে একটি স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছানোকে বলে ক্রমাগমন। শুরুটা যেখানে আগে কোনো প্রাণ ছিল না — নগ্ন শিলা বা নতুন বালুচর — সেখানে হলে তাকে প্রাথমিক ক্রমাগমন বলে; আর আগে সম্প্রদায় ছিল কিন্তু ধ্বংস হয়ে গেছে এমন জায়গায় হলে গৌণ ক্রমাগমন। শুষ্ক নগ্ন পৃষ্ঠ থেকে শুরু হওয়া ধারাটিকে বলে জেরোসেয়ার, আর জলাশয় থেকে শুরু হলে হাইড্রোসেয়ার; দুটিই শেষ হয় ক্লাইম্যাক্স সম্প্রদায়ে। জীবগোষ্ঠীর নিজস্ব কয়েকটি মাপযোগ্য বৈশিষ্ট্য আছে — ঘনত্ব, জন্মহার, মৃত্যুহার, বয়স-বণ্টন। প্রজাতি বৈচিত্র্য এর মধ্যে পড়ে না, কারণ সেটি একাধিক প্রজাতি নিয়ে গঠিত সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য, একটি জীবগোষ্ঠীর নয়। প্রাথমিক ক্রমাগমন শুরু হয় প্রাণহীন পৃষ্ঠে; গৌণ ক্রমাগমন শুরু হয় ধ্বংসপ্রাপ্ত সম্প্রদায়ের জায়গায় জেরোসেয়ার শুষ্ক নগ্ন পৃষ্ঠ থেকে, হাইড্রোসেয়ার জলাশয় থেকে প্রাথমিক জেরোসেয়ার প্রথাগতভাবে ছয়টি দশায় সম্পূর্ণ হয় বলে ধরা হয় উভয় ধারার শেষ পরিণতি ক্লাইম্যাক্স সম্প্রদায় জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য: ঘনত্ব, জন্মহার, মৃত্যুহার, বয়স-বণ্টন, বৃদ্ধিরূপ প্রজাতি বৈচিত্র্য জীবগোষ্ঠীর নয়, সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য ইন-সিটু সংরক্ষণ = প্রাকৃতিক আবাসে; এক্স-সিটু = আবাসের বাইরে (চিড়িয়াখানা, জিন ব্যাংক, বোটানিক্যাল গার্ডেন)

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

'জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি' — প্রজাতি বৈচিত্র্য খোঁজো, সেটি সম্প্রদায়ের বৈশিষ্ট্য।

এখানে ভুল হয় ()

  • প্রজাতি বৈচিত্র্যকে জীবগোষ্ঠীর বৈশিষ্ট্য ধরা
  • প্রাথমিক ও গৌণ ক্রমাগমনের সংজ্ঞা উল্টে দেওয়া
  • ইকো পার্ককে এক্স-সিটু সংরক্ষণ ধরা — এটি প্রাকৃতিক আবাস ঘিরে, তাই ইন-সিটু ঘরানার

Zoogeographical regions and world biomes

প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল ও বায়োম

পৃথিবীর প্রাণিজগৎকে ভৌগোলিক বিস্তার অনুযায়ী কয়েকটি অঞ্চলে ভাগ করা হয়, আর প্রতিটি অঞ্চলের নিজস্ব চরিত্রসূচক প্রাণী আছে। বাংলাদেশ পড়ে ওরিয়েন্টাল অঞ্চলে, যার সঙ্গে ভারত, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া ও দক্ষিণ চীন যুক্ত। উত্তর আমেরিকা নিআর্কটিক, ইউরোপ ও উত্তর এশিয়া প্যালিআর্কটিক, দক্ষিণ আমেরিকা নিওট্রপিক্যাল, আফ্রিকা ইথিওপিয়ান, আর অস্ট্রেলিয়া অস্ট্রেলিয়ান। আলাদা একটি ভাগ বায়োম — সেটি জলবায়ু ও প্রধান উদ্ভিদরূপ অনুযায়ী, ভূগোল অনুযায়ী নয়। তৃণভূমির বায়োমের মাটি সবচেয়ে হিউমাস-সমৃদ্ধ, কারণ ঘাসের ঘন মূলজাল প্রতি বছর মরে গিয়ে মাটিতে জৈব পদার্থ যোগ করে। ছয়টি প্রধান প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চল: ওরিয়েন্টাল, প্যালিআর্কটিক, নিআর্কটিক, নিওট্রপিক্যাল, ইথিওপিয়ান, অস্ট্রেলিয়ান বাংলাদেশ ওরিয়েন্টাল অঞ্চলে বাইসন নিআর্কটিক অঞ্চলের প্রাণী ক্যাঙ্গারু ও প্লাটিপাস অস্ট্রেলিয়ান অঞ্চলের চরিত্রসূচক প্রাণী বায়োম ভাগ হয় জলবায়ু ও প্রধান উদ্ভিদরূপে — তুন্দ্রা, তৈগা, তৃণভূমি, মরুভূমি, ক্রান্তীয় বৃষ্টিবন তৃণভূমির বায়োমের মাটি সর্বাধিক হিউমাস-সমৃদ্ধ পূর্ণমোচী বনভূমির চরিত্রসূচক উদ্ভিদ শাল উদ্ভিদ প্রজাতি বণ্টনের সবচেয়ে বড় নিয়ন্ত্রক পানির প্রাপ্যতা

পরীক্ষায় যেভাবে আসে

বাংলাদেশ ওরিয়েন্টাল — এই একটি তথ্য জানা থাকলে অঞ্চলভিত্তিক প্রশ্নের অর্ধেক হয়ে যায়।

এখানে ভুল হয় ()

  • বাংলাদেশকে প্যালিআর্কটিক অঞ্চলে ধরা — এশিয়ার উত্তরাংশ প্যালিআর্কটিক, দক্ষিণাংশ ওরিয়েন্টাল
  • বায়োম ও প্রাণিভৌগোলিক অঞ্চলকে এক ধরা — একটি জলবায়ুভিত্তিক, অন্যটি ভৌগোলিক
  • হিউমাস-সমৃদ্ধ মাটির জন্য ক্রান্তীয় বৃষ্টিবন বেছে নেওয়া — সেখানে পচন দ্রুত, হিউমাস জমে না