আবৃতবীজী উদ্ভিদ
আবৃতবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য
আবৃতবীজী হলো সর্বাধিক উন্নত ও বিস্তৃত সপুষ্পক উদ্ভিদ, যাদের বীজ ফলের ভেতরে আবৃত থাকে। এদের সুগঠিত ফুল আছে যা যৌন প্রজননাঙ্গ; নিষেকের পর গর্ভাশয় ফলে ও ডিম্বক বীজে পরিণত হয়। এদের বৈশিষ্ট্যপূর্ণ দ্বি-নিষেক ঘটে — একটি পুংগ্যামিট ডিম্বাণুকে নিষিক্ত করে জাইগোট এবং অন্যটি সস্য-নিউক্লিয়াসের সাথে মিলে ট্রিপলয়েড সস্য তৈরি করে। জাইলেমে ভেসেল ও ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ থাকে। বীজপত্র সংখ্যার ভিত্তিতে এরা একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী — দুই শ্রেণিতে বিভক্ত।
বীজ ফলে আবৃত; সুগঠিত ফুল থাকে
দ্বি-নিষেক আবৃতবীজীর নিজস্ব বৈশিষ্ট্য
জাইলেমে ভেসেল ও ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ উপস্থিত
শ্রেণি: একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
দ্বি-নিষেক শুধু আবৃতবীজীতে ঘটে — এটি অনন্য বৈশিষ্ট্য ও প্রিয় MCQ। বীজ ফলে আবৃত বলেই 'আবৃতবীজী'।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·দ্বি-নিষেক নগ্নবীজীতেও ভাবা — শুধু আবৃতবীজী
- ·আবৃতবীজীর বীজ উন্মুক্ত ভাবা — ফলে আবৃত
- ·আবৃতবীজীর ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ নেই ভাবা — আছে
নগ্নবীজী উদ্ভিদ
Cycas: শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য ও জীবন্ত জীবাশ্ম
Cycas একটি নগ্নবীজী উদ্ভিদ যার কাণ্ড অশাখ, স্তম্ভাকার ও পুরু বাকলযুক্ত এবং শীর্ষে পক্ষল যৌগিক পাতার মুকুট থাকে; কচি পাতা শামুকের মতো কুণ্ডলিত (সারসিনেট ভার্নেশন)। এর মূলে সায়ানোব্যাকটেরিয়া বাসকারী প্রবালাকার কোরালয়েড মূল নাইট্রোজেন সংবন্ধনে সাহায্য করে। Cycas সস্যাবস্থায় প্রাচীন ও আধুনিক উভয় বৈশিষ্ট্য ধারণ করে এবং বহু বিলুপ্ত আত্মীয়ের মধ্যে টিকে আছে বলে একে 'জীবন্ত জীবাশ্ম' বলা হয়। এটি একলিঙ্গ ও দ্বিপ্রকৃতির (পুং ও স্ত্রী উদ্ভিদ আলাদা)।
অশাখ স্তম্ভাকার কাণ্ড, শীর্ষে পক্ষল যৌগিক পাতা
কোরালয়েড মূল — সায়ানোব্যাকটেরিয়া দিয়ে নাইট্রোজেন সংবন্ধন
কচি পাতা কুণ্ডলিত (সারসিনেট ভার্নেশন)
একলিঙ্গ, দ্বিপ্রকৃতি; 'জীবন্ত জীবাশ্ম' বলা হয়
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
Cycas-কে 'জীবন্ত জীবাশ্ম' বলার কারণ (প্রাচীন+আধুনিক বৈশিষ্ট্য, বহু আত্মীয় বিলুপ্ত) লিখতে বলা হয়। কোরালয়েড মূলে নাইট্রোজেন সংবন্ধন।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·Cycas-এর কোরালয়েড মূল জল শোষণে ভাবা — নাইট্রোজেন সংবন্ধনে
- ·Cycas-কে আবৃতবীজী ভাবা — নগ্নবীজী
- ·Cycas-কে উভলিঙ্গ ভাবা — একলিঙ্গ (দ্বিপ্রকৃতি)
আবৃতবীজীর বাহ্যিক গঠন
গোত্র পরিচিতি: Poaceae ও Malvaceae; একবীজপত্রী বনাম দ্বিবীজপত্রী
Poaceae (ঘাস গোত্র, একবীজপত্রী) — ফাঁপা কাণ্ড (culm), সমান্তরাল শিরাযুক্ত সরু পাতা, স্পাইকলেট পুষ্পবিন্যাস; উদাহরণ ধান, গম, বাঁশ। Malvaceae (জবা গোত্র, দ্বিবীজপত্রী) — উপবৃতি (epicalyx) সহ পঞ্চখণ্ড বৃতি-দল, অসংখ্য পুংকেশর একগুচ্ছে যুক্ত (মোনাডেলফাস) এবং সংযুক্ত গর্ভপত্র; উদাহরণ জবা, কার্পাস, ঢেঁড়স। একবীজপত্রী উদ্ভিদে একটি বীজপত্র, সমান্তরাল শিরাবিন্যাস, গুচ্ছমূল ও ট্রাইমেরাস ফুল থাকে; দ্বিবীজপত্রীতে দুটি বীজপত্র, জালিকা শিরাবিন্যাস, প্রধান মূল ও টেট্রা/পেন্টামেরাস ফুল থাকে।
Poaceae: একবীজপত্রী, ফাঁপা কাণ্ড, স্পাইকলেট (ধান/গম)
Malvaceae: দ্বিবীজপত্রী, উপবৃতি, মোনাডেলফাস পুংকেশর (জবা)
একবীজপত্রী: ১ বীজপত্র, সমান্তরাল শিরা, গুচ্ছমূল
দ্বিবীজপত্রী: ২ বীজপত্র, জালিকা শিরা, প্রধান মূল
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
Malvaceae-র শনাক্তকারী: উপবৃতি ও মোনাডেলফাস পুংকেশর (একগুচ্ছে যুক্ত)। একবীজপত্রী=সমান্তরাল শিরা+গুচ্ছমূল — জোড়ায় মনে রাখো।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·Poaceae-কে দ্বিবীজপত্রী ভাবা — একবীজপত্রী
- ·একবীজপত্রীতে জালিকা শিরা ভাবা — সমান্তরাল
- ·Malvaceae-তে পুংকেশর মুক্ত ভাবা — মোনাডেলফাস (যুক্ত)
আবৃতবীজীর বাহ্যিক গঠন
পুষ্প সংকেত ও পুষ্প প্রতীক
পুষ্প সংকেত (Floral Formula) হলো নির্দিষ্ট প্রতীক ও অক্ষর দিয়ে একটি ফুলের গঠন সংক্ষেপে প্রকাশের পদ্ধতি — এতে প্রতীকে লিঙ্গ, প্রতিসাম্য এবং বৃতি (K), দল (C), পুংস্তবক (A) ও স্ত্রীস্তবকের (G) সংখ্যা ও সংযুক্তি বোঝানো হয়; গর্ভাশয়ের অবস্থান G-এর নিচে/ওপরে দাগ দিয়ে দেখানো হয়। পুষ্প প্রতীক (Floral Diagram) হলো ফুলের বিভিন্ন স্তবকের পারস্পরিক অবস্থান ও সংখ্যার চিত্ররূপ, যা মাতৃঅক্ষের সাপেক্ষে আঁকা হয়। উভয়ই উদ্ভিদের গোত্র শনাক্তকরণ ও তুলনায় ব্যবহৃত হয় (যেমন জবা — Malvaceae)।
পুষ্প সংকেতে K=বৃতি, C=দল, A=পুংস্তবক, G=স্ত্রীস্তবক
প্রতীকে লিঙ্গ, প্রতিসাম্য ও গর্ভাশয়ের অবস্থান বোঝানো হয়
পুষ্প প্রতীক = স্তবকের অবস্থানের চিত্ররূপ (মাতৃঅক্ষসহ)
গোত্র শনাক্তকরণে উভয় ব্যবহৃত (যেমন জবা → Malvaceae)
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
K C A G ক্রম মনে রাখা জরুরি (বাইরে থেকে ভেতরে: বৃতি→দল→পুংস্তবক→স্ত্রীস্তবক)। G-এর নিচে দাগ = গর্ভপাদ (উচ্চ গর্ভাশয়)।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·পুষ্প সংকেতে A=স্ত্রীস্তবক ভাবা — পুংস্তবক (G=স্ত্রীস্তবক)
- ·পুষ্প প্রতীককে সংকেতের সমান ভাবা — চিত্ররূপ
- ·K কে দল ভাবা — বৃতি
আবৃতবীজী উদ্ভিদ
নগ্নবীজী ও আবৃতবীজী উদ্ভিদের পার্থক্য
নগ্নবীজী উদ্ভিদের বীজ উন্মুক্ত থাকে (ফল হয় না), ফুল নেই বরং স্ট্রোবিলাস থাকে, জাইলেমে ভেসেল ও ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ অনুপস্থিত এবং একক নিষেক ঘটে। আবৃতবীজী উদ্ভিদের বীজ ফলের ভেতরে আবৃত থাকে, সুগঠিত ফুল থাকে, জাইলেমে ভেসেল ও ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ উপস্থিত এবং দ্বি-নিষেক ঘটে। সংক্ষেপে, আবৃতবীজী গঠনগত ও প্রজননগতভাবে বেশি উন্নত। উদাহরণ: নগ্নবীজী — Cycas, Pinus; আবৃতবীজী — ধান, জবা, আম।
বীজ: নগ্নবীজীতে উন্মুক্ত, আবৃতবীজীতে ফলে আবৃত
ফুল: নগ্নবীজীতে নেই (স্ট্রোবিলাস), আবৃতবীজীতে আছে
ভেসেল/সঙ্গীকোষ: নগ্নবীজীতে নেই, আবৃতবীজীতে আছে
নিষেক: নগ্নবীজীতে একক, আবৃতবীজীতে দ্বি-নিষেক
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
দ্বি-নিষেক ও ফল — দুটোই শুধু আবৃতবীজীতে। এই দুটি পয়েন্ট মনে রাখলেই পার্থক্যের ছক লেখা সহজ।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·দুটোতেই ফল হয় ভাবা — শুধু আবৃতবীজীতে
- ·নগ্নবীজীতে ভেসেল আছে ভাবা — নেই
- ·দুটোতেই দ্বি-নিষেক ভাবা — শুধু আবৃতবীজীতে
নগ্নবীজী উদ্ভিদ
নগ্নবীজী উদ্ভিদের বৈশিষ্ট্য
নগ্নবীজী উদ্ভিদ হলো সেসব সংবহনতন্ত্রযুক্ত (ভাস্কুলার) উদ্ভিদ যাদের বীজ কোনো ফলের আবরণে আবৃত থাকে না, বরং উন্মুক্ত অবস্থায় গর্ভপত্রের ওপর থাকে (তাই 'নগ্নবীজী')। এদের সুস্পষ্ট মূল, কাণ্ড ও পাতা আছে; প্রজননাঙ্গ স্ট্রোবিলাস বা কোণ আকারে সজ্জিত এবং এতে ফুল ও ফল হয় না। জাইলেমে সাধারণত ট্রাকিড থাকে (ভেসেল প্রায় অনুপস্থিত) এবং ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ থাকে না। এরা বেশিরভাগ চিরসবুজ ও বহুবর্ষজীবী; উদাহরণ Cycas, Pinus।
বীজ উন্মুক্ত, ফলে আবৃত নয় (নগ্নবীজ)
ফুল ও ফল হয় না; প্রজননাঙ্গ স্ট্রোবিলাস/কোণ
জাইলেমে ট্রাকিড (ভেসেল নেই), ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ নেই
উদাহরণ: Cycas, Pinus — চিরসবুজ ও বহুবর্ষজীবী
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
নগ্নবীজীতে ফল হয় না, বীজ উন্মুক্ত — এটাই মূল শনাক্তকারী। জাইলেমে ভেসেল ও ফ্লোয়েমে সঙ্গীকোষ নেই, প্রায়ই জিজ্ঞাসিত।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·নগ্নবীজীতে ফল হয় ভাবা — হয় না, বীজ উন্মুক্ত
- ·নগ্নবীজীর জাইলেমে ভেসেল আছে ভাবা — ট্রাকিড (ভেসেল নেই)
- ·নগ্নবীজীতে দ্বি-নিষেক ভাবা — একক নিষেক
আবৃতবীজীর বাহ্যিক গঠন
পুষ্পবিন্যাস ও পুষ্পপত্রবিন্যাস
পুষ্পবিন্যাস (Inflorescence) হলো পুষ্পাক্ষে ফুল সাজানোর ধরন — এটি প্রধানত রেসিমোজ (মুখ্য অক্ষ অসীম বৃদ্ধিশীল, নিচ থেকে ওপরে ক্রমান্বয়ে ফুল ফোটে) ও সাইমোজ (মুখ্য অক্ষ ফুলে শেষ হয়, ওপর থেকে নিচে ফোটে) — এই দুই প্রকার। পুষ্পপত্রবিন্যাস বা এস্টিভেশন (Aestivation) হলো কুঁড়ি অবস্থায় বৃতি বা দলমণ্ডলের পাপড়িগুলোর পারস্পরিক সজ্জা — যেমন ভালভেট (পাশাপাশি স্পর্শ), টুইস্টেড/কন্টর্টেড (একটি অন্যটিকে ঢাকে), ইমব্রিকেট (অনিয়মিত আচ্ছাদন)। শনাক্তকরণ ও শ্রেণিবিন্যাসে এসব বৈশিষ্ট্য গুরুত্বপূর্ণ।
পুষ্পবিন্যাস প্রধানত রেসিমোজ (অসীম) ও সাইমোজ (সসীম)
রেসিমোজে নিচ থেকে ওপরে ফুল ফোটে; সাইমোজে উল্টো
এস্টিভেশন: ভালভেট, টুইস্টেড, ইমব্রিকেট
পুষ্পপত্রের কুঁড়িকালীন সজ্জাই এস্টিভেশন
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
রেসিমোজ = মুখ্য অক্ষ বাড়তেই থাকে (অসীম), সাইমোজ = অক্ষ ফুলে শেষ (সসীম)। এস্টিভেশন কুঁড়ি অবস্থার সজ্জা, খোলা ফুলের নয়।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·রেসিমোজে ওপর থেকে নিচে ফোটে ভাবা — নিচ থেকে ওপরে
- ·এস্টিভেশনকে খোলা ফুলের সজ্জা ভাবা — কুঁড়ির সজ্জা
- ·সাইমোজকে অসীম ভাবা — সসীম
আবৃতবীজীর বাহ্যিক গঠন
অমরাবিন্যাস ও ফল
অমরাবিন্যাস (Placentation) হলো গর্ভাশয়ের ভেতরে অমরা ও তার ওপর ডিম্বকের সজ্জার ধরন — প্রধান প্রকার প্রান্তীয় (marginal), গাত্রীয় (parietal), অক্ষীয় (axile), মুক্তমধ্যাক্ষীয় (free central) ও গাঢ়দেশীয় (basal)। নিষেকের পর গর্ভাশয় পরিণত হয়ে ফল গঠন করে; ফল সত্যিকার (শুধু গর্ভাশয় থেকে) বা অপ্রকৃত হতে পারে এবং শাঁসাল বা শুষ্ক প্রকৃতির হয় — যেমন বেরি (রসাল, যেমন টমেটো), ক্যারিওপসিস (ধান/গমের একবীজ শুষ্ক ফল যেখানে বীজত্বক ও ফলত্বক সংযুক্ত)। অমরাবিন্যাস ও ফলের ধরন শ্রেণিবিন্যাসে ব্যবহৃত হয়।
অমরাবিন্যাস: প্রান্তীয়/গাত্রীয়/অক্ষীয়/মুক্তমধ্যাক্ষীয়/গাঢ়দেশীয়
গর্ভাশয় নিষেকের পর ফলে পরিণত হয়
বেরি রসাল ফল (টমেটো); ক্যারিওপসিস শুষ্ক একবীজ ফল (ধান/গম)
ক্যারিওপসিসে ফলত্বক ও বীজত্বক সংযুক্ত
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
ধান/গমের ফল ক্যারিওপসিস (শুষ্ক, বীজত্বক-ফলত্বক সংযুক্ত) — প্রিয় প্রশ্ন। অমরাবিন্যাসের প্রকার চিত্র দেখে শনাক্ত করতে বলা হয়।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·ধান/গমের ফলকে বেরি ভাবা — ক্যারিওপসিস
- ·অমরাবিন্যাসকে পাপড়ির সজ্জা ভাবা — ডিম্বকের সজ্জা
- ·ক্যারিওপসিসকে রসাল ফল ভাবা — শুষ্ক
Leaf, venation and placentation — external plant form
পাতা, শিরাবিন্যাস ও অমরাবিন্যাস
পাতাকে ভাগ করা হয় ফলকের গঠন দেখে — একটিমাত্র অখণ্ড ফলক হলে সরল পাতা, আর ফলক সম্পূর্ণভাবে কয়েকটি পত্রকে ভাগ হয়ে গেলে যৌগিক পাতা। খেয়াল রাখতে হয় খাঁজকাটা আর ভাগ হওয়া এক নয়; জবার পাতা খাঁজকাটা হলেও সরল, কারণ ফলক আলাদা হয়নি। শিরাবিন্যাসে দুটি প্রধান ধরন — একবীজপত্রীতে সমান্তরাল, দ্বিবীজপত্রীতে জালিকাকার। অমরাবিন্যাস বলতে বোঝায় গর্ভাশয়ের ভিতরে ডিম্বকগুলো কোথায় ও কীভাবে সাজানো, আর গোত্র চেনার ক্ষেত্রে এটি একটি নির্ভরযোগ্য চিহ্ন — যেমন মালভেসি গোত্রে অক্ষীয় অমরাবিন্যাস।
সরল পাতা: একটিমাত্র অখণ্ড ফলক — জবা, আম
যৌগিক পাতা: ফলক সম্পূর্ণভাবে পত্রকে বিভক্ত — নারিকেল (পিনেট), গোলাপ, লজ্জাবতী (বাইপিনেট)
খাঁজকাটা পাতা যৌগিক নয় — ফলক আলাদা না হলে সেটি সরলই
একবীজপত্রীতে সমান্তরাল শিরাবিন্যাস; দ্বিবীজপত্রীতে জালিকাকার
অমরাবিন্যাসের প্রকার: অক্ষীয়, প্রান্তীয়, গাত্রীয়, মূলীয়, মুক্তমধ্যম
মালভেসি গোত্রে অমরাবিন্যাস অক্ষীয়
পুষ্পপুট তিনটি করে দুই আবর্তে সজ্জিত হলে সেটি একবীজপত্রীর লক্ষণ
পরীক্ষায় যেভাবে আসে
ফলক সম্পূর্ণভাবে আলাদা হয়েছে কি না দেখো — খাঁজ যত গভীরই হোক, না ভাগ হলে পাতা সরল।
এখানে ভুল হয় (৩)
- ·জবার খাঁজকাটা পাতাকে যৌগিক ধরা — এটি সরল
- ·সমান্তরাল ও জালিকাকার শিরাবিন্যাস অদলবদল করা
- ·অমরাবিন্যাসকে পুষ্পবিন্যাসের সমার্থক ধরা — একটি গর্ভাশয়ের ভিতরে, অন্যটি ফুলের সজ্জা